Back
MuslimMay 22, 2026· 2 min read

নবী মুহাম্মদের ইসলাম প্রতিষ্ঠা: যৌনদাসত্ব ও আধিপত্যের কাহিনি

S

By Shiplu Kumar Barmon

Writer & seeker

নবী মুহাম্মদের ইসলাম প্রতিষ্ঠা: যৌনদাসত্ব ও আধিপত্যের কাহিনি

ইসলামে যুদ্ধবন্দী হিসেবে প্রাপ্ত নারীদের গনিমত হিসেবে গণ্য করা হত। এসব যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করার সম্পূর্ণ বৈধতা নবী মুহাম্মদ স্বয়ং দিয়েছিলেন। এই বৈধতা প্রদান থেকে দুটি বিষয় পরিষ্কার হয়। যুদ্ধ বা জিহাদে বিজিত পক্ষের একজন রমণীকে স্বাধীনতা হরণের মাধ্যমে দাসীতে পরিণত করা যেমন ইসলামে বৈধ, তেমনি সেই রমণীটির অনুমতি ব্যতীতই তার সঙ্গে বিজয়ী পক্ষের জিহাদি মুসলিম পুরুষটির যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হওয়া, যা কিনা সংজ্ঞানুসারে সরাসরি ধর্ষণ, সেটিও ইসলামে অনুমোদিত। অথচ এ দুটি বিষয় আমাদের আধুনিক সভ্য পৃথিবীর যুদ্ধসংক্রান্ত আচরণবিধি, জেনেভা কনভেনশনের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। অর্থাৎ চৌদ্দশ বছর আগে নবী মুহাম্মদ ইসলাম প্রচারকে উদ্দেশ্য হিসেবে সামনে রেখে যে যুদ্ধগুলো সংঘটিত করেছিলেন, তার পেছনের মূল উদ্দেশ্যই ছিল নারী ও প্রভাব অর্জন এবং নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

নবী মুহাম্মদ ব্যাভিচারে লিপ্ত ছিলেন; বহু বিবাহ তো করেছিলেনই। এমনকি ছয় বছরের কিশোরী নাবালিকা আয়েশাকেও স্বপ্নে দেখতেন এবং তাকে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমান সময়ে প্রকাশিত এপস্টিনের নথিতে যে ধরনের লোমহর্ষক ঘটনা প্রকাশ পায়, তার চেয়েও বিভৎস ছিলেন নবী মুহাম্মদ। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, ছয় বছরের এ নাবালিকা কুমারী মেয়েটিকে বিয়ের নির্দেশ নাকি স্বয়ং আল্লাহ তাঁর নবীকে দিয়েছিলেন।

এছাড়াও, বিভিন্ন যুদ্ধে বিজয় লাভের পর নবী মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা সুন্দরী নারীরা যে ঘরগুলোতে বসবাস করতেন, সেসব ইহুদি পরিবারের পুরুষদের হত্যা করতেন। এরপর ওই নারীদের যৌনদাসী হিসেবে নিজেদের অধীনে নিয়ে কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে তাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হত নবী মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা।

এগুলো লিখলে মানুষ বলবে হিন্দু একজন ইসলাম সম্পর্কে গীবত গাইছে। অথচ এগুলো বস্তুনিষ্ঠ সত্য। সমস্যা হচ্ছে যখনই কেউ একজনকে ঐশ্বরিক পয়গম্বর এর জায়গায় নিয়ে যায়, সে ব্যাক্তির যাবতীয় ত্রুটি ভুলে যেতে চায় বাকিরা বা উপেক্ষা বা অগ্রাহ্য করতে চায়। ইসলামী কিতাবগুলো (তাওরাহ-ও এর অংশ) এমনসব বীভৎস শিশু ও নারী নির্যাতন এর উৎসাহ এবং অনুমোদন দিয়ে রেখেছে, যা বর্তমান যুগে বর্বরতা ছাড়া কিছুই নয়। হিন্দু ধর্মেও কী এধরণের বাজে ব্যাপার নেই? বর্ণপ্রথার মতো জঘন্য ব্যাপার? অবশ্যই আছে। কিন্তু আমি বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তিত। সেখানে মুহম্মদের অনুসারীরা তার ব্যাপারে অন্ধ সব সত্য জেনেও বা উপেক্ষা করে।

Share this reflection